মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার বের করার নিয়ম

কিভাবে মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র দেখবেন, আসলে দেখা সম্ভব কি না ইত্যাদি আলোচনা করা হবে। আপনি যদি মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র দেখতে চান তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য অনেক হেল্পফুল হতে যাচ্ছে। তাহলে এই টপিক নিয়ে বিষদভাবে আলোচনা করে বিষয়টি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র

প্রত্যেকটি মানুষের জন্য এই পোস্টটি খুবই উপকারী হবে বলে মনে করি। কারণ যে কোন জরুরী মুহুর্তে আপনার মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার বের করতে পারবেন এবং সেই নাম্বার আপনাদের প্রয়োজনীয় কাজে লাগাতে পারবেন। তাহলে আমরা কথা না বাড়িয়ে আমাদের ওয়েবসাইটের নিচের দিকে যাই এবং সেখান থেকে মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার বের করার নিয়ম আমরা শেখার চেষ্টা করে।

জাতীয় পরিচয় পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি ডকুমেন্ট। বাংলাদেশের প্রত্যক ১৮ বছর বয়সী নাগরীক ভোটার আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয় পত্রে জন্য আবেদন করতে পারবে এবং তার আবেদনের প্রেক্ষিতে জাতীয় পরিচয় পত্র নিতে পারবে।

মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র

Table of Contents

বর্তমানে খুব সহজেই মোবাইল নাম্বার দিয়ে নাগরিক তার জাতীয় পরিচয় পত্রের তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। অনেক সময় অনেক কাজে জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বারটি প্রয়োজন হয়।

Related Articles

ভোটার আইডি কার্ড চেক ও ডাউনলোড করুন অনলাইনে

কিন্তু জাতীয় পরিচয় পত্র কাছে না থাকার কারণে জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার  দেওয়া সম্ভব হয় না।সে ক্ষেত্রে খুব সহজেই মোবাইল নাম্বারের মাধ্যমে কিছু প্রক্রিয়া অবলম্বন করে সহজেই জাতীয় পরিচয় পত্রের তথ্য বের করা যায়।প্রথমে *১৬০০*২#  ডায়াল করলেই রিকোয়েস্ট এক্সেপ্ট হয়ে যাবে।

কিছুক্ষণের মধ্যেই মেসেজের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে জাতীয় পরিচয় পত্রের সঠিক নাম্বারটি। এভাবে খুব সহজেই মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্রের তথ্য বের করা যায়। এই পোস্টের মাধ্যমে আপনারা অনেক কিছু জানতে পারবেন।তাই মনে করি পোষ্টটি আপনাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আইডি নাম্বার দিয়ে আইডি কার্ড বের করা

বর্তমানে ভোটার আইডি নাম্বার দিয়ে আইডি কার্ড সংক্রান্ত সকল তথ্য পাওয়া যায়।তার জন্য কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।প্রথমে এই (http://services.nidw.gov.bd) ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রবেশ করতে হবে।

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম

অতঃপর আপনার এনআইডি নাম্বার টি ক্লিক করে রেজিস্ট্রার অপশন  এ লগইন করতে হবে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সব তথ্য পেয়ে যাবেন।

এছাড়াও নিকটস্থ নির্বাচন কমিশন অফিসে গিয়েও ভোটার আইডি কার্ড সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন। আইডি নাম্বার দিয়ে খুব সহজেই আইডি কার্ড সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়।আশা করি পোস্টটি পড়ে আপনারা উপকৃত হয়েছেন।

মোবাইল নাম্বার দিয়ে কিভাবে কোন ব্যক্তির নাম ঠিকানা বের করা যায়

অনেক সময় আমাদের ফোনে অজানা নাম্বার থেকে ফোন আসে। যার ফলে অনেক সময় বিভ্রান্তিতে পড়তে হয়। নাম ঠিকানা বের করা জরুরী হয়ে পড়ে। এ সকল সমস্যার সমাধান পাওয়া যাবে মোবাইল নাম্বার দিয়ে।

অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করার নিয়ম

মোবাইল এর মাধ্যমে  খুব সহজেই কোন ব্যক্তির নাম ঠিকানা বের করা সহজ হয়ে গেছে।অ্যাপসের মাধ্যমে কাজটি করা যায়। ট্রুকলার অ্যাপস নামে অ্যাপস আছে যার মাধ্যমে খুব সহজে মোবাইল নাম্বার দিয়ে ব্যক্তির নাম ঠিকানা বের করা যায়।ট্রুকলার যাত্রা শুরু করে প্রায় এখন থেকে প্রায় ১১  বছর আগে।

ভোটার আইডি কার্ড অনলাইন কপি ডাউনলোড

এই অ্যাপস এর হেড অফিস হচ্ছে সুইডেনে অবস্থিত। ট্রুকলার এর ফ্রি এবং পেইড দুটি ভার্সনই রয়েছে। এছাড়াও নিকটস্থ পুলিশের কাছে গেলেও মোবাইল নাম্বারের মাধ্যমে কোন ব্যক্তির নাম ঠিকানা বের করা করা যায়।

জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরী করুন নিজের

বর্তমানে মোবাইল অথবা কম্পিউটার মাধ্যমেই নিজের ভোটার আইডি নিজেই তৈরি করা যায়। প্রথমে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হয়।অতঃপর তারা একটি ফরম প্রদান করে যা সতর্কতার সাথে ফিলাপ করতে হয়।

হারানো ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার উপায়

নিজের নাম বাদে বাকি সবগুলো তথ্য বাংলায় ইউনিকোড এ পূরণ করতে হয়।সব তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করা শেষ হলে প্রিভিউ অপশনে ক্লিক করতে হয়।পুনরায় তথ্যগুলো যাচাই করে ফরম টি ডাউনলোড করতে হয়। ডাউনলোড করার পর প্রিন্টারে প্রিন্ট করে নিকটস্থ নির্বাচন কমিশন অফিসে জমা প্রদান করতে হয়।

এক কপি নিজের কাছে জমা রাখতে হয়। সব তথ্য যদি সঠিক হয় তবে নির্দিষ্ট তারিখে ভোটার আইডি কার্ড দেয়া হয়ে থাকে। এভাবে নিজের তারা জাতীয় পরিচয় পত্র নিজেই খুব সহজে তৈরি করা যায়।এতে করে সময় অপচয় হয় না এবং কেউ হয়রানির শিকার  হয়না।

জাতীয় পরিচয় পত্রের গুরুত্ব অনেক বেশী হওয়ার মূল কারণ হলো সরকারী সকল সুবিধা পেতে হলে অবশ্যই নাগরীকের জাতীয় পরিচয় পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড থাকতে হবে। আর এই ভোটার আইডি কার্ড এটাই নির্দেশ করে আপনি বাংলাদেশের নাগরিক।

আরো পড়ুনঃ

  • জন্ম নিবন্ধনের মাধ্যমে করোনা টিকার আবেদন করার নিয়ম
  • জন্ম নিবন্ধন সনদ ডাউনলোড Pdf 2022
  • নিজেই নিজের ভোটার আইডি কার্ড দেখবো কিভাবে 2022
  • আমার ভোটার আইডি কার্ড দেখতে চাই | কিভাবে দেখবেন তা নিয়ে বিস্তারিত

আমরা সকলেই জানি বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক দেশ। ভোট দানের মাধ্যমে দেশের সরকার গঠিত হয় আর তিনি দেশ পরিচলনা করেন। আর এই ভোট শুধুমাত্র ভোটার আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয় পত্র থাকা ব্যাক্তিরা দিতে পারবে। তাহলেই বুঝতেই পারছেন এই জাতীয় পরিচয় পত্র কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

তো এই ডকুমেন্টের গুরত্বপূর্ণ বুঝতে পারছেন। হঠাৎ করে আমাদের জাতীয় পরিচয় পত্রের দরকার হতেই পারে। আর যখন দরকার হবে তখন যদি জাতীয় পরিচয় পত্র আমাদের সাথে না থাকে তখন কি করব? নিশ্চয়ই আপনাকে এ জন্য ভোগান্তির শিকার হতে হবে তাই না? আর সবসময় তো জাতীয় পরিচয় পত্র সাথে রাখা সম্ভব না। তাই এই ভোগান্তির এড়ানোর জন্য সবচেয়ে সহজ যে সমাধান তা হলো মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র চেক করা বা দেখা।

মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র যদি আমরা চেক করতে পারি তাহলে আমাদেরকে সবসময় এটিকে সাথে রাখতে হবে না। কিন্তু আসলেই কি মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড দেখা সম্ভব? আপনার কি মনে হয় এটি সম্ভব? আপনার যাই মনে হোক না কেন এই ডিজিটাল বাংলাদেশে এটি সম্ভব।

আপনি খুব সহজে আপনার হাতে থাকা যেকোন মোবাইল ফোন দিয়ে মোবাইল নাম্বারের সাহায্যে জাতীয় পরিচয় পত্র দেখতে পারবে। এটি খুব একটা কঠিন কাজ না। নিমেষের মধ্যে কোড ডায়াল করে অথবা ইন্টারনেটের সাহায্য কাজটি করা সম্ভব হবে।

Table of Contents

  • জাতীয় পরিচয় পত্রের গুরুত্ব
  • মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র বের করা
  • USSD কোড ডায়াল করার মাধ্যমে
  • ইন্টারনেটের সাহায্যে নির্বাচন কমিশনারের ওয়েবসাইট থেকে
  • মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র রেজিস্টেশন
  • সাধারন জিজ্ঞাসা
  • সত্যি কি মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র বের করা যায়?
  • মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র দেখার সহজ উপায় কি?
  • মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্রের জন্য আবেদন করা যাবে?
  • জাতীয় পরিচয় পত্রের গুরুত্ব

মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র চেক করার আগে চলুন এটির গুরুত্ব জেনে নেওয়া যাক

  • ভোট দেওয়ার অধিকার পাবে
  • নাগরিত্বের পরিচয় বহন করবে
  • সিম উত্তেলন করতে পারবে
  • বিভিন্ন ধরনের সেনসেটিভ অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারবে। যেমনঃ ব্যাংক
  • সরকারী বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পাবে ইত্যাদি ইত্যাদি।

মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র বের করা

এবার চলুন এই বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক। মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র আপনি দুইটি উপায়ে দেখতে পারবেন।

USSD কোড ডায়াল করার মাধ্যমে

ইন্টারনেটের সাহায্যে নির্বাচন কমিশনারের ওয়েবসাইট থেকে

দুইটি উপায়ই অনেক সহজ আপনার কাছে যেটি বেশী ভালো লাগবে সেই পদ্বতি ব্যবহার করার পরামর্শ রইল।

আপনি যদি কোন রূপ ঝামেলায় না গিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড বের করতে চান তাহলে USSD কোডের মাধ্যমে বের করতে পারেন। এটি অনেক সহজ পদ্বতি। তবে এই পদ্বতিতে আপনি শুধু ভোটার আইডি কার্ডের নাম্বার দেখতে পারবেন। ভোটার আইডি কার্ডের নাম্বার ছাড়া অন্য কিছু তথ্য দেখতে পারবেন না। আর শুধুমাত্র সেই ভোটার আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার দেখতে পারবেন যে নাম্বার দিয়ে সিমটি উত্তেলন করা হয়েছে।

অর্থাৎ এই পদ্বতিতে আপনাকে একটি কোড ডায়াল করতে হবে আর যে সিম দিয়ে কোডটি ডায়াল করবেন সেই সিমের জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার দেখতে পারবেন।

তো USSD পদ্বতিতে মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র দেখার জন্য *1600# ডায়াল করুন। *1600# কোডটি ডায়াল করার পর কিছু আপশন পাবেন। সেখানে কিছু স্টেপ কমপ্লিট করার পর আপনি সেই সিম যে জাতীয় পরিচয় পত্র দ্বারা রেজিস্ট্রেশন হয়েছে সেই জাতীয় পরিচয় পত্রের আইডি নাম্বার দেখতে পারবেন।

এভাবে আপনি খুব সহজেই USSD কোড ডায়াল করার মাধ্যমে মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র বের করতে পারবেন।

এই পদ্বতিও খুব একটা কঠিন না। অনেক সহজ একটি পদ্বতি। এই পদ্বতিটি আমার কাছে অনেক পছন্দনীয়। কেননা এই পদ্বতিতে আপনি মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র পূর্ণাঙরূপে বের করতে পারবেন।

অর্থাৎ, USSD কোড ডায়াল করার মাধ্যোমে আমরা শুধু মাত্র জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বারই বের করতে পারি। কিন্তু সেখান থেকে আর অন্য কোন তথ্য বের করতে পারি না। তাছাড়া জাতীয় পরিচয় পত্রটিকে প্রিন্টবল করে নেওয়া সম্ভব না। তবে ইন্টারনেটের সাহায্যে নির্বাচন কমিশনারের ওয়েবসাইট থেকে আমরা অনেক সহজেই জাতীয় পরিচয় পত্রের পিডিএফ ভার্সন ডাউনলোড করে নিতে পারব। আর এখানে জাতীয় পরিচয় পত্রের সকল তথ্য পেয়ে যাব এছাড়াও এটিকে প্রিন্ট করে আরো অন্য কোন কাজে ব্যবহার করতে পারব।

নির্বাচন কমিশনারের ওয়েবসাইট থেকে মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র বের করতে হলে অবশ্যই যে মোবাইল নাম্বার দিয়ে বের করবেন সেই মোবাইল নাম্বার দিয়ে নির্বাচন কমিশনারের ওয়েবসাইটে একটি অ্যাকাউন্ট করা থাকতে হবে। আর যদি অ্যাকাউন্ট করা না থাকে তাহলে পারবেন না। অ্যাকাউন্ট করা না থাকলে অ্যাকাউন্ট করে নিবেন তাহল পরবর্তীতে মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র চেক করতে পারবেন।

যদি অ্যাকাউন্ট করা থাকে তাহলে প্রথমে ভিজিট করুন নির্বাচন কমিশনারের ওয়েবসাইট। ওয়েবসাইটের লিংক – https://services.nidw.gov.bd/

নির্বাচন কমিশনারের ওয়েবসাইটে লগিন

ভিজিট করার পর স্ক্রল করে নিচে আসুন। স্ক্রল করে নিচে আসার পর লগিন করার জন্য একটি ফোরাম পাবেন। সেখানে আপনার কাছ থেকে ইউজারনেম বা জাতীয় পরিচয় পত্র নাম্বার এবং পাসওয়ার্ড চাইবে। মোবাইল নাম্বার দিয়ে পোর্টালে রেজিস্ট্রেশন করার সময় যে ইউজারনেমটি বসিয়ে ছিলেন সেটিই দিবেন এবং অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড। তথ্য দুইটি দেওয়ার পর ক্যাপচার পূরণ করে লগিন করে নিন।

কোন তথ্য যদি আপনার মনে না থাকে সেক্ষেত্রে আপনি তথ্যগুলো রিসেট করার সুযোগ পাবেন।

নির্বাচন কমিশনার ওয়েবসাইটে লগিন করা সফল হলে আপনাকে ড্যাশবোর্ডে নিয়ে যাবে। ড্যাশবোর্ডে যাওয়ার পর অনেকগুলো অপশন পাবেন। ড্যাশবোর্ড থেকে প্রোফাইলে গেলে সেখানে আপনি আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড এর সকল তথ্য পেয়ে যাবেন এবং ডাউনলোড অপশনে গেলে ভোটার আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয় পত্রের পিডিএফ ভার্সন ডাউনলোড হওয়া শুরু হয়ে যাবে।

এভাবে খব সহজে নির্বাচন কমিশনারের ওয়েবসাইট থেকে মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র বের করতে পারবেন।

মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র রেজিস্টেশন

প্রকৃতপক্ষে মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র রেজিস্ট্রেশন করা হয় না। জাতীয় পরিচয় পত্র রেজিস্ট্রেশন করার জন্য মোবাইল নাম্বারের প্রয়োজন হয়।

দেশের যেকোন ১৮ বছর বয়সী নাগরীক জাতীয় পরিচয় পত্রের জন্য রেজিস্ট্রেশন করার সুযোগ পায়। আর তার যে বয়স ১৮ তা প্রমাণ করার জন্য শুধুমাত্র জন্ম নিবন্ধন সনদের প্রয়োজন পড়ে। কিভাবে জন্ম নিবন্ধন সনদ অনলাইনে চেক করবেন তা জানার জন্য এই আর্টিকেলটি পড়ুন – জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে চেক করার নিয়ম 2022

ভোটার নাম্বার দিয়ে আইডি কার্ড বের করার নিয়ম

কিন্তু আপনার কাছে যদি জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার সংগ্রহ না থাকে সে ক্ষেত্রে আপনি ঝামেলায় পড়ে যাবেন। তাই বাইরে বের হতে হলো আপনারা অবশ্যই জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি ছন্দে রাখবেন। তাছাড়া আপনারা যদি মুখস্ত রাখেন তাও হবে। আর যদি কোন ক্রমেই এই নাম্বারটি আপনাদের জানা না থাকে বা সংগ্রহে না থাকে তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর বের করে নিতে পারবেন।

তাহলে আপনারা নিচের দেখানো নিয়ম অনুসারে যে কোন মুহূর্তে মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার বের করে দিবেন। তবে আজকে আপনাদের যে নিয়ম শিখাতে যাচ্ছি সেই নিয়মে আপনারা বাংলালিংক সিম থেকে জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার বের করতে পারবেন। তবে মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার শুধু এক ক্ষেত্রে বের করা যাবে।

পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড – পুরাতন আইডি কার্ড কিভাবে দেখব

অর্থাৎ নির্দিষ্ট একটি জাতীয় পরিচয় পত্রের জন্য আপনারা যে মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করেছেন সেই মোবাইল নম্বর দিয়ে শুধু সেই নির্ধারিত জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার বের করা সম্ভব। আপনারা ব্যবহৃত বাংলায় নাম্বার দিয়ে যে কোন জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার বের করতে পারবেন না। তাহলে চলুন আমরা বাংলালিংক সিমের নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার বের করার চেষ্টা করি।

সাধারন জিজ্ঞাসা

এই আর্টিকেলটি নিয়ে আপনাদের মনে অনেকেরই অনেক ধরনের জিজ্ঞাসা থাকতে পারে। চলুন সেই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী এবং এর উত্তর জেনে নেই।

সত্যি কি মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র বের করা যায়?

হ্যাঁ। মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড বের করা যায়। কেননা জাতীয় পরিচয় পত্র রেজিস্ট্রেশনের সময় আমাদেরকে একটি মোবাইল নাম্বার দিতে হয়। সেই মোবাইল নাম্বার দিয়ে এই সুবিধা গ্রহণ করা সম্ভব।

মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র দেখার সহজ উপায় কি?

USSD কোড ডায়াল এবং নির্বাচন কমিশনার ওয়েবসাইট থেকে জাতীয় পরিচয় পত্র দেখা সম্ভব। আমার কাছে নির্বাচন কমিশনার ওয়েবসাইট থেকে জাতীয় পরিচয় পত্র দেখা অনেক সহজ। কারণ এখান থেকে জাতীয় পরিচয় পত্রের সকল তথ্য দেখতে পাওয়া যায়।

মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্রের জন্য আবেদন করা যাবে?

আসলে মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্রের জন্য আবেদন করা যায় না তবে জাতীয় পরিচয় পত্রের আবেদনর জন্য মোবাইল নাম্বারের প্রয়োজন রয়েছে।

শেষ কথা

এই ছিল মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র বের করা নিয়ে আমাদের আর্টিকেল। আশা করছি আর্টিকেলটি পড়ে আপনি সহজেই জাতীয় পরিচয় পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড বের করতে পারবেন। জাতীয় পরিচয় পত্র বের করতে গিয়ে যদি আপনি কোনরূপ সমস্যার সম্মুখীন হন তাহলে তা কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন। আমি চেস্টা করব আপনার সমস্যার সমাধান দেওয়া জন্য। ধন্যবাদ টিউনবিএনে ভিজিট করার জন্য এবং এই আর্টিকেলটি পড়ার জন্য।