অনলাইনে নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার নিয়ম ২০২২

নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন ২০২২ (bdris.gov.bd) –   আপনি যদি আপনার শিশুর বা আপনার নিজের জন্ম নিবন্ধন এখনো পর্যন্ত না করে থাকেন । তাহলে নতুন জন্ম নিবন্ধন এর আবেদন কিভাবে করবেন আজকের এই পোস্টের মাধ্যমে সে বিষয়টি জেনে নিন। 

জন্ম নিবন্ধন আবেদন

জন্ম নিবন্ধন বর্তমানে প্রায় প্রতিটি কাজে প্রয়োজন পড়ে তাই আপনার উচিত এখন পর্যন্ত জন্ম নিবন্ধন না করা থাকলে দ্রুত জন্ম নিবন্ধন করে নেওয়া ।

আপনি চাইলে অনলাইনের মাধ্যমে নিজেই নিজের জন্ম নিবন্ধন আবেদন করতে পারেন অথবা আপনি আপনার ইউনিয়ন পরিষদ এ গিয়ে জন্ম নিবন্ধনের আবেদন ফরম পূরণ করে জমা দিতে পারেন।

নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন ২০২২

Table of Contents

  • জন্ম নিবন্ধন নিয়ে আরো তথ্য
  • জন্ম নিবন্ধন আবেদনের বর্তমান অবস্থা
  • জন্ম নিবন্ধন সংশোধন
  • জন্ম নিবন্ধন বাংলা থেকে ইংরেজি করার নিয়ম
  • অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই
  • জন্ম নিবন্ধন যাচাই অনলাইন চেক apps
  • জন্ম নিবন্ধন ফরম 
  • জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করতে কি কি লাগে

নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন এর নিয়ম

প্রথমে আসুন জেনে নেই নতুন জন্ম নিবন্ধন করার নিয়ম গুলি কি কি –

  • জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন  ২০০৪ এর আইন অনুসারে শিশু জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক।
  • যদি কোন অসুবিধার কারণে ৪৫  দিনের ভেতর না করতে পারেন তাহলে  আমার পরামর্শ থাকবে আপনার শিশুর ৫ বছরের মধ্যে অবশ্যই জন্ম নিবন্ধন করিয়ে নিবেন।
  • যদি আপনি জেনেশুনেও পাঁচ বছরের মধ্য জন্ম নিবন্ধন না করেন তাহলে নতুন জন্ম নিবন্ধন করার ক্ষেত্রে আপনাকে অতিরিক্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিতে হবে এবং ঝামেলা পোহাতে হতে পারে । তাই চেষ্টা করবেন আপনার শিশুর 5 বছরের ভিতর জন্ম নিবন্ধন করে নেওয়ার।

জন্ম নিবন্ধন অনলাইন কপি ডাউনলোড করার সঠিক নিয়ম

আপনি কি জন্ম নিবন্ধন অনলাইন কপি ডাউনলোড করতে চান এবং এই অনলাইন কপি ডাউনলোড করার সঠিক নিয়ম জানতে চান? আজকে আমাদের ওয়েবসাইটে এই পোষ্টের মাধ্যমে জন্ম নিবন্ধন অনলাইন কপি ডাউনলোড করার পদ্ধতি জানিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি কোথায় গিয়ে এই অনলাইন কপি ডাউনলোড করা যাবে সেই সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রদান করব। জন্ম নিবন্ধন অনলাইন কপি ডাউনলোড করার জন্য আপনাদের কোন ধরনের খরচ হবে না এবং এই অনলাইন কপি ডাউনলোড করতে গিয়ে আপনাদের শুধু জন্ম নিবন্ধন সনদ নাম্বার এবং জন্মতারিখ লাগবে।
প্রকৃতপক্ষে জন্ম নিবন্ধন অনলাইন কপি ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করার কোন পদ্ধতি নেই। তবে জন্ম নিবন্ধন সনদ যদি আপনারা তথ্য অনুসন্ধান করে দেখতে চান এবং জানতে চান যে আপনার জন্ম নিবন্ধন সনদের তথ্য ওয়েবসাইটে লিপিবদ্ধ হয়েছে কিনা তাহলে এখান থেকে জন্ম নিবন্ধনের তথ্য অনুসন্ধান এর নিয়ম জেনে নিন। আপনার জন্ম নিবন্ধন সনদ যদি থেকে থাকে তাহলে সেখানে একটি নাম্বার দেখতে পাবেন এবং এই নাম্বারটি আপনাকে এখানে ব্যবহার করতে হবে। যদি জন্ম নিবন্ধন সনদ হারিয়ে যায় এবং জন্ম নিবন্ধন সনদের নাম্বার আপনার কাছে থেকে থাকে তাহলে আপনারা অবশ্যই জন্ম নিবন্ধন সনদ পুনর্মুদ্রণ করতে পারবেন।

জন্ম নিবন্ধন অনলাইন কপি ডাউনলোড করার সঠিক নিয়ম

  • জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার পদ্ধতি
  • জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার পদ্ধতি
  • June 29, 2022
  • জন্ম নিবন্ধন সনদ তৈরি করার নিয়ম
  • জন্ম নিবন্ধন সনদ তৈরি করার নিয়ম
  • June 29, 2022
  • জন্ম নিবন্ধন যাচাই 19860915428117351
  • জন্ম নিবন্ধন যাচাই 19860915428117351
  • June 29, 2022
  • জন্ম নিবন্ধন বয়স সংশোধন করার নিয়ম
  • জন্ম নিবন্ধন বয়স সংশোধন করার নিয়ম
  • June 29, 2022
  • জন্ম নিবন্ধন সনদ ডাউনলোড করার সঠিক নিয়ম bdris.gov.bd
হারিয়ে যাওয়া জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র মুদ্রণের জন্য আপনাদেরকে আবেদন করতে হবে এবং আবেদন পত্র সহ অন্যান্য কাগজপত্র স্থানীয় সরকার বিভাগ অথবা নিবন্ধকের কার্যালয় জমা দিলে তারা আপনাকে কিছু দিনের ভেতরেই জন্ম নিবন্ধন এর অরজিনাল কপি প্রয়োজনীয় কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর সহ প্রদান করবে। তবে আপনার হাতে যে জন্মনিবন্ধনের সনদ রয়েছে সেই জন্ম নিবন্ধন সনদের হুবহু কপি যদি অনলাইন থেকে ডাউনলোড করতে চান তাহলে তা আপনারা কখনো পারবেন না। কারণ জন্ম নিবন্ধন সনদের যে কপি আপনার হাতে রয়েছে সেই কঁপি ডাউনলোড করার একমাত্র এক্তিয়ার স্থানীয় সরকার বিভাগের অথবা নিবন্ধকের কার্যালয়ের।

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সনদ ডাউনলোড

জন্ম তারিখ দিয়ে জন্ম নিবন্ধন সনদ ডাউনলোড করার উপায় bdris.gov.bd
তারা যখন আপনাকে এই জন্মনিবন্ধনের সনদ প্রদান করবে তখন চেয়ারম্যান সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা দস্তখত প্রদান করবে। এখন আপনারা যারা জন্ম নিবন্ধন অনলাইন কপি সংগ্রহ করতে এসেছেন অথবা জন্ম নিবন্ধন অনলাইন কপি থাকলে ভালো মনে করেন তাদের জন্য এখানে জন্ম নিবন্ধনের তথ্য অনুসন্ধান করার নিয়ম আলোচনা করা হলো। জন্ম নিবন্ধনের তথ্য অনুসন্ধান করতে হলে অথবা অনলাইন কপি ডাউনলোড করতে হলে আপনাদেরকে গুগল ক্রোম ব্রাউজার এ গিয়ে লিখতে হবে জন্ম নিবন্ধন তথ্য অনুসন্ধান।
তাছাড়া আপনারা চাইলে সরাসরি এখান থেকে https://everify.bdris.gov.bd/ লিংকটি কপি করে নিতে পারেন এবং যে কোন ব্রাউজার থেকে ওপেন করে এই লিংকের পেজে চলে যেতে পারেন। তারপরে সেখানে গিয়ে আপনাদেরকে জন্ম নিবন্ধনের তথ্য অনুসন্ধান করার জন্য সনদ নাম্বার প্রদান করতে হবে এবং নিচের ঘরে গিয়ে জন্ম নিবন্ধন নাম্বার প্রদান করার পরে জন্ম তারিখ প্রদান করতে হবে। জন্মতারিখ প্রদান করা হয়ে গেলে নিচের যে গণিতের সমাধান করতে বলা হয়েছে সেটি সঠিকভাবে পূরণ করে আপনারা সার্চ অপশনে ক্লিক করবেন।
তাহলে আপনার জন্ম নিবন্ধন নাম্বার এবং জন্ম তারিখ অনুযায়ী সেখানে আপনার তথ্য প্রদর্শন করা হবে এবং সেই তথ্য অনুযায়ী আপনারা সেখানে আপনার নাম আপনার পিতা-মাতার নাম এবং অন্যান্য নাম সহ প্রয়োজনীয় তথ্য সেখানে প্রদর্শিত হবে। আপনারা যদি জন্মনিবন্ধনের অনলাইন কপি ডাউনলোড করার জন্য এসে থাকেন তাহলে সেখান থেকে অনলাইন কঁপি ডাউনলোড না করতে পারলেও জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সম্বলিত এই পেজ স্ক্রীনশট দিয়ে রাখতে পারবেন।
আশা করি বুঝতে পেরেছেন যে জন্ম নিবন্ধন অনলাইন কপি কিভাবে সংগ্রহ করতে হয় এবং এই নিয়ম অনুসরণ করে আপনারা শুধু জন্ম নিবন্ধন এর নাম্বার দিয়ে খুব সহজেই আপনার জন্ম নিবন্ধন অনলাইন কপি মোবাইল ফোনে স্ক্রিনশট আকারে রেখে দিন।

নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন করতে কি কি লাগে

নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন করতে আপনার প্রয়োজনীয় কি কি কাগজপত্র লাগবে নিচে আমি সেই বিষয়গুলো তুলে ধরছি।

0 থেকে 5 বছরের শিশুদের ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন  করতে যা যা লাগবে

  • ক্লিনিক বা হাসপাতালে সার্টিফিকেট বা ছাড়পত্র ( শিশু যে ক্লিনিকে জন্মগ্রহণ করেছিল )।
  • শিশুটি যদি কোন হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করে না থাকে সে ক্ষেত্রে  তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে নিবন্ধক কর্তৃক নির্দিষ্ট করা কোন এনজিও কর্মীর প্রত্যয়ন পত্র।
  • যদি সেটিও সম্ভব না হয় তাহলে  নিবন্ধকের জন্ম সংক্রান্ত কোন দলিলের সত্যায়িত অনুলিপি  যেমন শিশুর টিকা কার্ড ।
  • পিতা-মাতার জন্ম নিবন্ধন সনদ অথবা জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি লাগবে।

৫ বছর বা তার অধিক শিশুদের ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন  করতে যা যা লাগবে

  • এমবিবিএস ডাক্তারের প্রত্যয়ন ( বয়স প্রমাণের জন্য) ।
  • সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড এর মেম্বার অথবা কাউন্সিলরের প্রত্যয়ন ( জন্মস্থান বা স্থায়ীভাবে বসবাসের স্থান প্রমাণের জন্য ) ।
  • উপরের কাগজপত্র গুলি যদি আপনার না থাকে তাহলে বয়স এবং জন্মস্থান প্রমাণের জন্য তথ্য সংগ্রহকারী হিসাবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ বা প্রধান শিক্ষক এর প্রত্যয়ন। 
  • এছাড়াও  আপনি বয়স ও জন্মস্থান প্রমাণের জন্য ইপিআই কার্ড বা পাসপোর্ট বা মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট অথবা কোন চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের জন্ম সংক্রান্ত ছাড়পত্র  সনদের সত্যায়িত অনুলিপি। 
  • জন্ম তারিখ ও ঠিকানা প্রমাণের জন্য আপনি জন্ম সংক্রান্ত কোন দলিল।
  • এনজিও কর্মীর প্রত্যয়ন ( তবে তথ্য সংগ্রহকারী হিসাবে নিবন্ধক কর্তৃক নির্দিষ্ট করা কোন  এনজিও  কর্মী  হতে হবে)।
  • পিতামাতার জন্ম নিবন্ধন সনদ অথবা জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি।

নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন ফরম

নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন ফরম কিভাবে পূরণ করবেন সে বিষয়টি প্রথমে বলে নেই। আপনি যদি চান অনলাইনের মাধ্যমে নিজেই নিজের জন্ম নিবন্ধন ফরম পূরণ করবেন। কিভাবে করবেন সে বিষয়টি আমি নিচে দিয়ে  দিব ।

আর আপনি যদি চান যে আপনি হাতে লিখে ফরম পূরণ করে সেই ফরমটি নিয়ে আপনার  ইউনিয়ন পরিষদ ভবন এ গিয়ে ফরম জমা দিবেন সেটিও করতে পারেন। এখন কথা হল হাতে লিখে জন্ম নিবন্ধন ফরম পূরণ করার জন্য প্রথমত আপনাকে ফরম সংগ্রহ করতে হবে । জন্ম নিবন্ধন ফরম আপনি অনলাইন থেকে সংগ্রহ করতে পারেন।  জন্ম নিবন্ধন ফরম এখান থেকে সংগ্রহ করুন ।

জন্ম নিবন্ধন ফরম সংগ্রহ করার পর আপনি নির্ভুলভাবে আপনার সঠিক তথ্য দিয়ে ফরমটি পূরণ করুন । এরপর আপনার এলাকার মেম্বার রয়েছেন তাকে দিয়ে সত্যায়িত করুন এবং প্রথম শ্রেণীর সরকারি চাকরিজীবী দিয়ে স্বাক্ষর করে নিন। এরপরে আপনার ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে ফর্ম জমা দিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে পূরন করে নিন ।

জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে আবেদন – নতুন জন্ম নিবন্ধনের আবেদন ২০২২

নতুন জন্ম নিবন্ধন অনলাইন এর মাধ্যমে কিভাবে করবেন এই ভিডিওটি দেখে খুব সহজেই করে নিতে পারেন। 

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন করার জন্য প্রথমত আপনার কম্পিউটার অথবা মোবাইল থেকে এই  https://bdris.gov.bd/ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।

এরপর আপনি নিচের ছবির মত লক্ষ্য করুন । জন্ম নিবন্ধন সনদ আপনার কোন ঠিকানায় অফিস থেকে নিতে চান তার জন্য  এখানে আপনি তিনটি অপশন দেখতে পাবেন জন্মস্থান, স্থায়ী ঠিকানা, বর্তমান ঠিকানা, এ তিনটি অপশন থেকে আপনি আপনার প্রয়োজন মত অপশন সিলেক্ট করে নিচের দিকে পরবর্তী এই বাটনে ক্লিক করুন।

নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন

নিবন্ধন কারী ব্যাক্তির পরিচিতি সঠিকভাবে দিন।

নতুন জন্ম নিবন্ধনের আবেদন ২০২২ | bdris.gov.bd

এই ফরমটি সঠিকভাবে পূরণ করার পর আপনি পরবর্তী এই বাটনে ক্লিক করুন

এই পেজে আপনাকে আপনার পিতা-মাতার তথ্য দিতে হবে তথ্যর ক্ষেত্রে আপনার পিতা-মাতার জন্ম নিবন্ধন নম্বর এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দরকার হবে।

সঠিক তথ্য দিয়ে এরপর পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।

এরপরে আপনাকে যে পেজে নিয়ে আসা হবে এখানে আপনি দুটি অপশন দেখতে পাবেন প্রথম অপশন এ লেখা থাকবে আপনি কি নির্মল লিখিত কোন ঠিকানা স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করতে চান এখানে আপনি কোনোটিই নয় এই অপশনটি টিক মার্ক করে দিন।

এরপর নিচের অপশন এ আপনার যদি বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা একই হয় তাহলে  ( জন্মস্থান এর ঠিকানা ও স্থায়ী ঠিকানা একই ) এই  অপশনটিকে টিক মার্ক করে দিন । আপনার ঠিকানায় সঠিকভাবে দিয়ে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।

এর পরের পেজে আসার পর আবেদনকারী তথ্য দিতে হবে। আবেদনকারীর যদি আপনি হয়ে থাকেন তাহলে আপনার মোবাইল নাম্বার ইমেইল নাম্বার দিয়ে দিবেন।

আর আবেদনকারী যদি অন্য কেউ হয় অর্থাৎ আপনার বয়স যদি 18 বছরের নিচে থাকে তাহলে যে ব্যক্তি আবেদনকারী হিসেবে থাকবে তার জন্ম নিবন্ধন , ভোটার এবং মোবাইল ও ইমেইল নাম্বার দিতে হবে।

দেওয়ার পরে আপনি পরবর্তী বাটনে ক্লিক করবেন। পরবর্তী বাটনে ক্লিক করার পর আপনার সামনে আপনি পিছনে যত তথ্য দিয়েছেন সকল তথ্য আপনার এখানে দেখাবে।

এরপর আপনার সকল তথ্য যদি সঠিক থাকে তাহলে আপনি সাবমিট বাটনে ক্লিক করবেন । সাবমিট বাটনে ক্লিক করলে আপনার তথ্য সাবমিট হয়ে যাবে।  এরপর আপনি যেই মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করেছেন সেই মোবাইল নাম্বারে আপনি এসএমএস পাবেন। আর এখানে আপনার আবেদনপত্রের একটি নাম্বার  দেখতে পাবেন। তবে এই নাম্বারটি আপনি আপনার সংগ্রহে রাখবেন ।

আপনার ফরমটি সঠিকভাবে সাবমিট হলে আপনি প্রিন্ট করার অপশন পাবেন। জন্ম নিবন্ধন আবেদন পত্র প্রিন্ট করে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ/ পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন অফিসে জমা দিতে হবে। আবেদনের সাথে অবশ্যই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করে জমা দিবেন।

পরবর্তীতে আপনার আবেদনপত্র অনুমোদন পেয়েছে কিনা আপনি তা অনলাইনের মাধ্যমে যাচাই করতে পারবেন।

নতুন অনলাইন জন্ম নিবন্ধন আবেদন সংক্রান্ত প্রশ্ন ও উত্তর – 

জন্ম নিবন্ধন কি দুইবার করা যায়?

না জন্ম নিবন্ধন আপনি দুইবার করতে পারবেননা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই আপনি ধরা পড়ে যাবেন। আর যদি কোনো ভাবে মিথ্যা তথ্য দিয়ে আপনি জন্ম নিবন্ধন করেন সেক্ষেত্রে আপনি আইনি সমস্যায় পড়বেন।

জন্ম নিবন্ধন কোথায় করতে হয়?

ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে গিয়ে জন্ম নিবন্ধন করতে পারবেন।

পিতা মাতার জন্ম নিবন্ধন না থাকলে কিভাবে জন্ম নিবন্ধন আবেদন করা যাবে?

2002 সালের আগে আপনার যদি জন্ম হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে আপনার পিতা-মাতার জন্ম নিবন্ধন না থাকলেও আপনি জন্ম নিবন্ধন করতে পারবেন । তবে ২০২২ সালের নতুন আপডেট অনুসারে, ২০০১ বা তার পরে জন্মগ্রহণকারী সকল শিশুর জন্ম নিবন্ধন করতে পিতা ও মাতার জন্ম নিবন্ধন বাধ্যতামূলক।

নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন করতে কি কি লাগে

নতুন জন্ম নিবন্ধন করার ক্ষেত্রে কি কি কাগজপত্র প্রয়োজন পড়বে আপনি এই লিংকে গিয়ে সে বিষয়টি সম্পূর্ণ জেনে নিন।

জন্ম নিবন্ধন করতে কত টাকা লাগে?

জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য সরকারি নির্ধারিত কিছু ফি আছে । কোন কোন কাজের জন্যে কত ফি লাগে তার একটি তালিকা নিচে দেওয়া হল।

জন্ম বা মৃত্যুর ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিন পর্যন্ত কোন ব্যক্তির জন্ম বা মৃত্যু নিবন্ধন ফ্রিতে কোন টাকা লাগবে না।

মৃত্যুর বা জন্ম ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিন পর হইতে ৫ (পাঁচ) বৎসর পর্যন্ত কোন ব্যক্তির জন্ম বা মৃত্যু নিবন্ধন ফি ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

 ৫ বৎসর পর কোন ব্যক্তির জন্ম বা মৃত্যু নিবন্ধন ফি ৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

জন্ম তারিখ সংশোধনের জন্য আবেদন ফি ১০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

জন্ম তারিখ ব্যতীত নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, ঠিকানা ইত্যাদি অন্যান্য তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন ফি ৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় মূল সনদ বা তথ্য সংশোধনের পর সনদের কপি  সরবরাহ ফ্রী সম্পূর্ণ ফ্রি করা হয়েছে।

বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় সনদের নকল সরবরাহ ফি ৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য সরকার নির্ধারিত ফি এগুলা হলেও আমদের দেশের কিছু  অসাধু ব্যাক্তি এর চেয়ে বেশি টাকা দাবি করে থাকে। 

বিবাহিত নারীর ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধনে কি স্বামীর নাম লেখা যাবে?

যাবে না। নারীর জন্ম নিবন্ধনের ক্ষেত্রে পিতা মাতার নাম লিখতে হয় এখানে স্বামীর নাম লেখার কোনো সুযোগ নেই।

নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন । জন্ম নিবন্ধন যাচাই | Jonmo Nibondhon Form Online। bdris| জন্ম নিবন্ধন সনদ ডাউনলোড| e verify bdris।

হোমজন্ম সনদ যাচাই

নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন । জন্ম নিবন্ধন যাচাই | Jonmo Nibondhon Form Online। bdris| জন্ম নিবন্ধন সনদ ডাউনলোড| e verify bdris।

Antor (Raj)এপ্রিল ২৯, ২০২২0 মন্তব্যসমূহ

Facebook

Twitter

বর্তমান সময়ে জাতীয় পরিচয় পত্র, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স সহ ইত্যাদি প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র করার সময় অনলাইন জন্ম নিবন্ধন (birth Certificate) এর প্রয়োজন গুরুত্বপূর্ণ এবং অপরিহার্য। তাই শিশু জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজের পাশাপাশি বাবা মায়ের জন্ম নিবন্ধন অনলাইন অথবা সরকারী খাতায় সন্তানের নামটি লিপিবদ্ধ করানো। (bdris gov bd login) পূর্বে জন্ম নিবন্ধন  এর প্রক্রিয়ার অফলাইন অর্থাৎ আবেদন ফরমের মাধ্যমে হলেও বর্তমান তাহা ডিজিটাল হয়ে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন এর সরকারী ওয়েব সাইটে তথ্য গুলো সংরক্ষন করা হচ্ছে। তাহলে চলুন আমরা জেনে নেই অনলাইন জন্ম নিবন্ধন (bdris) এর আবেদন করার পক্রিয়া। (bdris gov bd application)

bdris gov bd login। নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন । bdris। জন্ম নিবন্ধন যাচাই । bdris gov bd application। birth Certificate। জন্ম নিবন্ধন ফরম

বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী অনলাইনে (bdris) জন্ম নিবন্ধন (birth Certificate) এর আবেদন করতে হয় এবং অনলাইন প্রিন্ট আবেদন পত্রটি নিকটস্থ পৌরসভা, ভোট অফিস অথবা সিটি কর্পোরেশনে জমা দিতে হবে। 

নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন (bdris gov bd login) 

জন্ম নিবন্ধন এর আবেদন করতে প্রথম আপনি এই লিংকে প্রবেশ করুন- https://bdris.gov.bd/br/application 

 

পরবর্তীতে জন্ম নিবন্ধন সনদ আপনার কোন ঠিকানার অফিস থেকে সংগ্রহ করতে চান সেই লেখার নিচে লক্ষ্য করুন-  জন্মস্থান, স্থায়ী ঠিকানা, বর্তমান ঠিকানার বক্স রয়েছে। আপনি আপনার জন্ম নিবন্ধনটি যেই স্থান হতে আবেদন করতে চান সেই খানে ক্লিক করুন এবং তার নিচে আরেকটি বক্স রয়েছে আপনি যদি বিদেশ থেকে বা দেশের বাহির থেকে জন্ম নিবন্ধন পেতে চান তাহলে বাংলাদেশ অনুমোদিত দূতাবাস চিহ্নিত করে ‘‘পরবর্তী’’ বাটনে ক্লিক করুন। (bdris gov bd application)

 

এর পর আপনি চিহ্নিত ঘর পূরণ করুন এই ভাবে। নামের প্রথম অংশ বাংলা- অন্তর, নামের শেষ অংশ- দাস (অন্তর দাস), জন্ম তারিখ- 31/04/2000, পিতা মাতার কততম সন্তান- 1, লিঙ্গ- পুরুষ, জন্ম স্থানের ঠিকানা- ঢাকা, বাংলাদেশ (সম্পুর্ণ ঠিকানা প্রদান করুন)। তার পর ‘‘পরবর্তী’’ বাটনে ক্লিক করুন। (জন্ম নিবন্ধন যাচাই)

 

 

 

তারপর লক্ষ্য করুন, পিতা-মাতার জন্ম নিবন্ধন নাম্বার ও জাতীয় পরিচয় পত্র নাম্বার এবং পিতা মাতা কোন দেশের নাগরিক তা দেওয়ার বক্স আসবে। উল্লেখ্য, আপনার জন্ম তারিখ যদি 2001 সনের আগে হয় অর্থৎ 31/04/2000 ইং তাহলে আপনার পিতা মাতার অনলাইন জন্ম নিবন্ধন নাম্বার এর প্রয়োজন হবে না শুধুমাত্র পিতা মাতার জাতীয় পরিচয় পত্র, বাংলা নাম এবং ইংরেজী নাম দিলে হবে এবং যদি আপনার জন্ম তারিখ 2000 সন এর পরে হয় অর্থাৎ 01/01/2001 তাহলে আপনার পিতা মাতার অনলাইন জন্ম নিবন্ধন অবশ্যই দিতে হবে বা বাধ্যতা মূলক। নিয়মানুযায়ী পূরন করা হলে ‘‘পরবর্তী’’ বাটনে ক্লিক করুন। (bdris)

 

তার পরবর্তীতে পেজে আপনি লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন দুইটি অপশন এসেছে যথাক্রমে- (1) আপনি কি নিম্নলিখিত কোন ঠিকানা আপনার স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করতে চান?, (2) আপনি কি নিম্নলিখিত কোন ঠিকানা আপনার বর্তমান ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করতে চান? আপনি যদি আর কোন ঠিকানা ব্যবহার করতে ইচ্ছুক না হন তাহলে ‘‘কোনটিই নয়’’ ক্লিক করুন এবং তার নিচে ‘‘পরবর্তী’’ বাটনে ক্লিক করুন।  (bdris application print)

 

তারপর আপনার বয়স যদি 18 বছরের উপরে হয় তাহলে আপনি নিজে আবেদন করতে পারবেন আর যদি আপনার বয়স 18 বছরের নিচে  হয় তাহলে আপনি আবেদন করার যোগ্য ব্যক্তি নহে সে ক্ষেত্রে আপনার নিকটতম আত্মীয় এবং পিতা-মাতা আবেদন কারী হতে পারবে।  যিনি আবেদন কারী হবেন তাহার  জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বার, জন্ম নিবন্ধন নম্বর, মোবাইল নাম্বার খালিস্থানে প্রদান করুন। পরবর্তীতে ‘‘সংযুক্তি ( প্রতিটি ফাইলের জন্য, সর্বোচ্চ ফাইল সাইজ 100 কিলো বাইট )’’ লেখাটির নিচে ‘সংযোজন’’ এর ক্লিক করুন এবং প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র যেমন- শিশু টিকা কার্ড, পিতার জন্ম নিবন্ধন, মাতার জন্ম নিবন্ধন, পিতার জাতীয় পরিচয় পত্র, মাতার জাতীয় পরিচয় পত্র এবং হাসপাতালের সার্টিফিকেট সংযুক্ত করুন। তার পর ‘‘পরবর্তী’’ বাটনে ক্লিক করুন। (নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন)

আবেদনপত্রটি সাবমিট করার পূর্বে সকল তথ্য ঠিক আছে কিনা দেখে নিন। মনে রাখবেন একবার সাবমিট করা হয়ে গেলে আবেদনপত্রটিতে আর এডিট করার সুযোগ থাকবে না। আবেদন পত্রের সকল তথ্য সঠিক ভাবে যাচাই করে  ‘‘সাবমিট’’ বাটনে ক্লিক করুন। ( জন্ম নিবন্ধন যাচাই)

 

সাবমিট বাটনে ক্লিক করলে আপনার আবেদনটি সফল ভাবে করা হবে এবং পরবর্তীতে অনলাইন থেকে bdris online ফরম টি সংরক্ষণ করে কালার প্রিন্ট করুন এবং আপনার নিকটস্থ পৌরসভা, ভোট অফিস অথবা সিটি কর্পোরেশনে জমা প্রদান  করিতে হবে।  

 

জন্ম নিবন্ধন করার নিয়ম (প্রয়োজনীয় কাগজপত্র)

জন্ম নিবন্ধনের জন্য শিশুদের জন্মের পর প্রথম ৪৫ দিনের মধ্যে যে কাগজপত্রগুলো প্রয়োজন তা হলো-

অনলাইনে আবেদনকৃত ফর্মের কালার প্রিন্ট কপি। 

শিশুর এক কপি পাসপোর্ট সাইজের কালার ছবি। 

শিশুর ইপি আই (Expanded Program on Immunization) কর্তৃক প্রদেয় টিকা কার্ড অথবা ইপি আই কর্মীর নিকট থেকে শিশুর জন্মের প্রত্যয়নপত্র। 

শিশুর জন্মস্থান ও জন্ম তারিখের প্রমাণপত্র হিসেবে ক্লিনিক বা হাসপাতাল থেকে শিশুর জন্ম সনদের কপি সত্যায়িত অনুলিপি বা (Birth attendant, জন্ম সনাক্তকারী)এর জন্ম পরিচয় সনাক্তের প্রত্যয়ন পত্র অত্র শিশুর জন্মের বিষয় অন্য কোনো প্রমাণ পত্র। (bdris-gov-bd-login)

বাংলা-ইংরেজি দুই ভাষাতেই পিতা-মাতার অনলাইন জন্ম সনদের কপি প্রয়োজন। 

পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয় পত্র (ভোটার আইডি কার্ড) প্রয়োজন। 

শিশু যেই খানে বসবাস করে অথবা পিতা-মাতা বা অভিভাবকের বাংলাদেশ সরকারকে কর পরিশোধের প্রমান পত্র। 

  

জন্ম নিবন্ধন ফি  (birth Certificate)

৪৫ (পাঁতাল্লিশ) দিন বয়সী শিশুর জন্ম নিবন্ধন বিনামূল্যেই করা যাবে।

৪৬ দিন থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুর জন্ম নিবন্ধন ফি ২৫ টা। বিদেশ বা দেশের বাইরে থেকে জন্ম নিবন্ধন করার ক্ষেত্রে ফি ১ (1 US$) মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশ থেকে কোন নাগরিকের জন্ম সনদ সংশোধন ফি ১০০ টাকা এবং বিদেশ বা দেশের বাইরের জন্ম নিবন্ধন সংশোধন ফি  ২ (2 US$) মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশ, বিদেশ অথবা দেশের বাহির থেকে যদি কোন নাগরিক বাংলা  এবং ইংরেজি  অর্থা দুই ভাষাতে ‍মূল সনদের প্রয়োজন হয় তাহলে তা বিনা নাগরিক বা বাসিন্দা বিনা খরচে বা বিনা ফি তে পেতে পারবেন। (কোন ফি প্রযোজ্য নহে। 

যদি আপনি বাংলা-ইংরেজি দুটো ভাষাতেই জন্ম  সনদের নকল কপি পেতে চান তাহলে বাংলাদেশ থেকে ৫০ টাকা এবং বিদেশ অর্থাৎ দেশের বাহির থেকে ১ (1 US$) মার্কিন ডলার ফি প্রযোজ্য হবে। (জন্ম নিবন্ধন চেক অনলাইন)

জন্ম নিবন্ধন সনদ ডাউনলোড-

জন্ম নিবন্ধন ডাউনলোড করতে হলে বর্তমানে প্রথমে আপনার মোবাইল ফোনে নের্টওয়ার্ক থাকতে হবে। তার পর আপনাকে গুগেলে আপনাকে প্রথম গিয়ে জন্ম নিবন্ধন ডাউলোড করুন তার পর। আপনি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন এবং পরবর্তীতে আপনি সেখানে গিয়ে ওয়েব সাইট হতে প্রদেত্ত তথ্য পূরর্ণ করুন এবং সর্ব শেষ জন্ম নিবন্ধন যাচাইয়ে ক্লিক করুন। তারপর আমার জন্ম নিবন্ধন এর অনলাইন যাচাইকপি পাবেন। ধন্যবাদ। 

e verify bdris-

e verify bdris হচ্ছে বাংলাদেশে বর্তমানে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করার প্রধান মাধ্যম এবং এই মাধ্যমকেই মানুষ ব্যবহার করে খুব সহজেই নিজে নিজে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করতে পারছে এবং এই যাচার করার মাধ্যম খুব সহজ করে দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। 

bdris

bdris একটি সরকারী জন্ম নিবন্ধন করার ওয়েব সাইটের নাম। bdris লিখে Google  এ সার্চ করলে আপনি বাংলাদেশ জন্ম নিবন্ধন করার ওয়েব সাইট  bdris gov bd login প্রবেশ করবেন।  

জন্ম নিবন্ধন ফরম (Jonmo Nibondhon Form Online)

বর্তমানে জন্ম নিবন্ধন ফরম এর মাধ্যমে জন্ম নিবন্ধন এর আবেদন করা যায় নাই। কারন বর্তমান ডিজিটাল বাংলাদেশে সরকারী সকল কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন হয় বিধায় আপনি যদি মনে করেন জন্ম নিবন্ধন ফরম এর মাধ্যমে আপনি জন্ম নিবন্ধন এর আবেদন করবেন তাহলে আপনি ভুল ভাবছেন। তাই আপনাকে Google গিয়ে bdris gov bd login। নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন । bdris। জন্ম নিবন্ধন যাচাই । bdris gov bd application। birth Certificate। জন্ম নিবন্ধন ফরম লিখে সার্চ করতে হবে এবং সার্চ শেষে নোটিশ বাংলা-24 এর ফেজ আসবে এবং আপনি সেখান থেকে নতুন জন্ম নিবন্ধন এর আবেদন করার নিয়ম সহজে বুঝতে পারবেন এবং সাথে সাথে জন্ম সনদের আবেদন করতে পারবেন|

বিঃ দ্রঃ আবেদনপত্রের সাথে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দেয়ার সময় জন্ম নিবন্ধন ফি প্রদান করতে হবে এবং জন্ম নিবন্ধন ফি প্রদান করার সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্বারা রিসিট অর্থা বিল সংরক্ষণ করুন (এতে সরকারী রাজস্ব চুরি হওয়ার সম্ভবনা কম)।  মূল কথায় আসি সাধারণত আবেদনের দিন থেকে ৫ কর্ম দিবসের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন  তৈরি হয়ে যায়। কিন্তু বিভিন্ন সমস্যার কারণে কর্তৃক পক্ষ দ্বারা আপনার জন্ম নিবন্ধন সনদটি পেতে প্রায় ১ (এক) মাস সময় পর্যন্ত লেগে যেতে পারে। অনলাইন বার্থ সার্টিফিকেট চেক, birth certificate জন্ম নিবন্ধন সনদ ডাউনলোড, অনলাইন বার্থ সার্টিফিকেট লগইন, birth certificate সংশোধন, অনলাইন বার্থ সার্টিফিকেট চেক, birth certificate জন্ম নিবন্ধন সনদ ডাউনলোড, অনলাইন বার্থ সার্টিফিকেট লগইন, birth certificate সংশোধন শিখতে পারবেন।